২৮ অক্টোবর ২০২০ ইং, ১৩ কার্তিক ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম:
নরসিংদীতে কনস্টেবল হতে এএসআই পদে সদ্য পদোন্নতি প্রাপ্ত সদস্য কে র‌্যাংক ব্যাচ ব্যাজ পরিয়ে দিচ্ছেন ,পুলিশ সুপার মাধবদীতে ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার নরসিংদীতে শারদীয় দুর্গাপূজায় সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে উৎসব করার জন্য জেলা পুলিশের আহ্বান মাধবদীতে পূজামন্ডপ পরিদর্শনে নরসিংদী জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন শিবপুরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন সাবেক এমপি সিরাজুল ইসলাম মোল্লা

বঙ্গবন্ধুর খুনি রিসালদার মুসলেউদ্দিনের আশ্রয়দাতা আব্দুস সাত্তারের জোরপূর্বক জমি দখলের পাঁয়তারা

  নরসিংদীর সংবাদ

বঙ্গবন্ধুর খুনি রিসালদার মুসলেউদ্দিনের আশ্রয়দাতা আব্দুস সাত্তারের জোরপূর্বক জমি দখলের পাঁয়তারা

নিজস্ব সংবাদদাতা/ নরসিংদীর সংবাদ-
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির ৩২ নম্বর রোডে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যায় অন্য আসামিদের সঙ্গে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন রিসালদার (বরখাস্ত) মুসলেউদ্দিন ।
মুসলেউদ্দিন ১৯৭৫- এ- জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডের পর নিজ জেলা নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার দত্তেরগাঁও এলাকায় বাড়ি করে স্থায়ীভাবে বসবাস করছিলেন। ১৯৯৬ সালের আগ পর্যন্ত কোন সরকারই মুসলেউদ্দিন এর বিরুদ্ধে তদন্তের উদ্যোগ নেয়নি। এমনকি বিএনপি সরকারের সময় তার বাড়িতে সার্বক্ষণিক পুলিশি নিরাপত্তা থাকতো।
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার তদন্ত শুরু হলে তার বাড়ি সহ বেশ কিছু সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়। এক পর্যায়ে খুনি রিসালদার মোসলেহ উদ্দিন পালিয়ে যান।ঐসময় ভেলানগর গ্রামবাসীরা দেখতে পান খুনি রিসালদার মুসলেউদ্দিনকে নরসিংদী ভেলানগর টাওয়াদী এলাকার আব্দুস সাত্তার আশ্রয় দিয়েছিলেন । পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর মুসলেউদ্দিন কে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সাহায্য করেন আব্দুস সাত্তার । পরবর্তীতে খুনি রিসালদার মোসলেহ উদ্দিনের পরিবারের সদস্যরা দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়েন। অনেকেই নিরাপদ স্থানে গা-ঢাকা দেন।
সম্পর্কিত খবর গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোসলেহ উদ্দিনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ,বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে দেশে আনার চেষ্টা চলছে,বঙ্গবন্ধুর খুনিদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার বেগম জিয়াও অপরাধী।

উল্লেখ্য নরসিংদী শহরের পূর্ব ভেলানগর সাবেক পুরাতন জজকোর্ট সংলগ্ন অবস্থিত বিটিএম ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল। উক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান টি স্থাপিত হয় ২০০০ ইং সালে ।
উক্ত স্কুলটির জমির মালিক মাহবুর রহমান গং
তাদের ২৭ শতাংশ জমির উপর প্রতিষ্ঠা করেন স্কুলটি। উক্ত সম্পত্তি জমিদাতাদের সাথে চুক্তি হয় হাজী আব্দুস সাত্তার এর সাথে, প্রথম পর্যায়ে চুক্তির মিয়াদ শেষ করে ,পরবর্তীতে আবারো চুক্তি হয় মালিক পক্ষদের সাথে পরে গত ২০০৮ সাল হতে ২০১৪ ইং সাল পর্যন্ত। মালিকগণদের উক্ত জমিটি বাড়ি নির্মাণের কাজের জন্য প্রয়োজন বিদায়, স্কুলের চুক্তির স্বাক্ষর দাতা হাজী আব্দুস সাত্তারকে প্রস্তাব করেন । এক পর্যায়ে তার প্রস্তাবে রাজি হল, পরবর্তীতে আব্দুস সাত্তার আজ নয় কাল স্কুলটি খালি করবো বলে মালিকপক্ষ দের বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে চলছেই তো চলছে।
জমির মালিক গন গণমাধ্যমকর্মীদের কে বলেন ২০১৪ সালে উক্ত জমির ডিড বাতিল হয়ে আছে , চুক্তির ৬ বছর অতিক্রম হওয়ার পরও এখন পর্যন্ত হাজী আব্দুস সাত্তার ও তার পালিত গুণ্ডাবাহিনী দিয়ে জমির মালিক মাহবুর রহমান কে মোবাইল ফোনে প্রাণনাশের হুমকি ও দিয়েছে ।পরে মাহবুবুর রহমান বাদী হয়ে নরসিংদী মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন ।
বর্তমানে জমির মালিকগণ তাদের ২৭ শতাংশ জমি জমির মালিকগং দের সাথে কোন চুক্তি না করে পুনরায় জোরপূর্বক স্কুলটি চালিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। বর্তমানে জমির মালিকরা উক্ত জমিটি বিশেষ প্রয়োজন এর জন্য হাজী আব্দুস সাত্তারকে বারবার তাগিদ দিচ্ছেন স্কুলটি এখান থেকে সরিয়ে অন্যত্র স্থাপন করার জন্য। কিন্তু হাজী আব্দুস সাত্তার মোটা অংকের লোভ সামলাতে না পেরে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে মালিকপক্ষ দের সাথে গায়ের জোর দেখিয়ে এড়িয়ে চলছেন ।
এ ব্যাপারে জমির মালিক মাহবুব গং সহ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
ওপরে